মর্যাদার আসনে চোখ সবার, সেই প্রবাদ কি এবারও সত্য হবে 

ডেস্ক রিপোর্ট:

সিলেট সিটি করপোরেশন এলাকা ও সদর উপজেলা নিয়ে গঠিত সিলেট-১ নির্বাচনি এলাকাকে বলা হয় মর্যাদার আসন। ভোটের রাজনীতিতে প্রচলিত একটি মিথও আছে। বলা হয়, ‘সিলেট-১ আসন যার- সরকার তার’। স্বাধীনতা-পরবর্তী বাংলাদেশের সব কটি জাতীয় নির্বাচনে এই মিথ একবারের জন্যও মিথ্যে হয়নি। মর্যাদার এই আসনে যে দল বিজয়ী হয় সেই দলই সরকার গঠন করে আসছে।

সেই ধাাবাহিকতা এখনও চলমান রয়েছে। প্রতিটি দলই এই আসনে হেভিওয়েট প্রার্থী নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামে। দলের শীর্ষনেতাসহ রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের এখানে মনোনয়ন পান; যাতে তিনি জয়লাভ করলে তার দল সরকার গঠন করতে পারে। সেজন্য ভোটযুদ্ধে সবার দৃষ্টি থাকে সিলেট-১ আসনের দিকে। শুধু সিলেট নয়, সারাদেশ এই প্রশ্নের উত্তর জানতে তাকিয়ে আছেন ফলাফলের জন্য।

তবে  মূল লড়াই হবে বিএনপির খন্দকার আব্দুল মুক্তাদীর ও জামায়াতের হাবিবুর রহমানের মধ্যে।এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট-১ আসনে এবার  মূল লড়াই হয়েছে বিএনপির খন্দকার আব্দুল মুক্তাদীর ও জামায়াতের হাবিবুর রহমানের মধ্যে।


হযরত শাহজালাল (রহ:) ও হযরত শাহপরাণ (রহ:)সহ ৩৬০ আউলিয়ার স্মৃতি বিজড়িত পূণ্যভূমির এই আসনটি সব দলেরই কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মূলত এটা মাথায় রেখে মাজার জিয়ারত এবং জনসভার মধ্যে দিয়ে সিলেট থেকেই শুরু হয় সব দলের নির্বাচনি প্রচারণা। সরকার গঠন করার বিষয়টি মাথায় রেখে মর্যাদাপূর্ণ এ আসনে শক্তিশালী প্রার্থীকেই মনোনয়ন দেওয়া হয়। ১৯৯১ সালের সংসদ নির্বাচনে সিলেটের ১৯টি আসনের মধ্যে বিএনপির হয়ে খন্দকার আব্দুল মালিক শুধু সিলেট-১ আসন থেকে বিজয়ী হয়েছিলেন। এরপরও বিএনপিই সরকার গঠন করে।

Share